স্টাফ রিপোর্টার:
খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভোগা এই ছাত্রদল নেতার চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সার্বিক খোঁজখবর নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণসহ সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে খান সাইফুলকে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান জানান, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। ওই বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খান সাইফুলের চিকিৎসার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর. হাসান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান এবং শেকৃবি ছাত্রদল নেতা শোআইব ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের পুলিশের নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর থেকে খান সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
